ইনফিনিক্স নোট ৩
দেশের স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের মধ্যে ইদানিং সময়ে বড় পর্দার স্মার্টফোন ব্যবহারেই ঝোক অনেক বেশি দেখা গেছে। একই সঙ্গে ব্যটারির ক্ষমতা নিয়েও শঙ্কিত থাকেন। আর তাই বড় ডিসপ্লের পাশাপাশি শক্তিশালী ব্যাটারির দিকেও নজর দিচ্ছে স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো। আর স্মার্টফোন বিক্রির বাজারে প্রায় সব নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর নজর এখন বাংলাদেশের দিকে।
ইতোমধ্যেই বিশ্বের সব জনপ্রিয় ব্র্যান্ড ও সর্বশেষ প্রযুক্তির হ্যান্ডসেটগুলো বাংলাদেশের বাজারে চলে এসেছে। সেই ধারাবাহিকতায় কিছুদিন আগে চীনের স্মার্টফোন নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ইনফিনিক্স তাদের ‘নোট ৩’ ডিভাইসের মাধ্যমে বাংলাদেশে যাত্রা শুরু করেছে। বড় ডিসপ্লে, শক্তিশালী ব্যটারি ছারাও এই স্মার্টফোনটির সকল ভালো এবং খারাপ দিকগুলো নিয়ে পাঠকদের জন্য থাকছে আজকের এই স্মার্টফোন রিভিউ।
আন-বক্সিং:
ইনফিনিক্স নো ৩ ডিভাইসটির বক্সটিকে বেশ যত্ন নিয়েই তৈরি করা হয়েছে। আকাশী রঙ্গের চমৎকার এই বক্সটির গায়ে হ্যান্ডসেটের মডেল ও কিছু প্রয়োজনীয় তথ্য দেওয়া আছে। যার কারণে বক্স না খুলেই একনজরে জেনে নিতে পারবেন কী আছে এই হ্যান্ডসেটে। বক্সটি খুললেই প্রথম লেয়ারে আপনি দেখতে পাবেন মূল ডিভাইসটি। এর নিচের লেয়ারেই বিভিন্ন কম্পার্টমেন্টে রয়েছে যেখানে আছে অন্যান্য প্রয়োজনীয় এক্সেসরিজ। বক্সটি খুললে আপনি যা পাবেন,
- স্মার্টফোন
- টেম্পার্ড গ্লাস
- হেডফোন
- ডাটা ক্যাবল
- ট্রাভেল চার্জার
- ম্যানুয়াল ও ওয়ারেন্টি কার্ড
কোর স্পেসিফিকেশন:
- ৬ ইঞ্চি আকারের ফুল এইচডি আইপিএস ডিসপ্লে প্যানেল
- ডিসপ্লে নিরাপত্তায় ড্রাগন টেইল গ্লাস প্রযুক্তি
- অক্টাকোর প্রসেসর
- মালি টি৭২০ জিপিইউ
- ২ গিগাবাইট র্যাম ১৬ গিগাবাইট রম
- ১৩ মেগাপিক্সেল রিয়ার ও ৫ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা
- ফিংগারপ্রিন্ট স্ক্যানার
- ৪ হাজার ৫০০ মিলি অ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি
স্পেশাল ফিচার:
এই ডিভাইসের স্পেশাল ফিচারগুলো হচ্ছে, নোট ৩ ৬ইঞ্চি বড় স্ক্রিন, ৪হাজার ৫০০ এমএএইচ শক্তিশালী ব্যাটারি এবং আপডেট ফিংগার প্রিন্ট সেন্সর।
ডিজাইন:
সম্পূর্ণ অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি নোট ৩ স্মার্টফোনটি একটি প্রিমিমায় লুকিং ডিভাইস। যদিও অ্যালুমিনিয়াম ফিনিশিং এর কারণে হাতে ধরে ব্যবহারের গ্রিপ তেমন একটা কমফোর্টেবল মনে হয়নি, তবে নি:সন্দেহে ডিভাইসটির ডিজাইনে কোন কমতি খুঁজে পাওয়া যায়নি।
স্মার্টফোনটির টপ ফ্রন্টে রয়েছে একটি স্পিকার, ফ্রন্ট ক্যামেরা, সফট ফ্ল্যাশ এলইডি লাইট, লাইট সেন্সর, প্রক্সিমিটি সেন্সর ও একটি নোটিফিকেশন লাইট। ডিভাইসটির টপ বটম একেবারেই খালি রাখা হয়েছে, নেই কোন ক্যাপাসিটাভ টাচ বাটনও।
স্মার্টফোনটির একদম উপরের দিকে দেখতে পাবেন একটি ৩.৫ মিলিমিটার হেডফোন পোর্ট। এবং নিচে যুক্ত পাবেন একটি স্পিকার গ্রিল, প্রাইমারি মাইক্রোফন এবং একটি ইউএসবি পোর্ট।
নোট ৩'র বাম পাশে রয়েছে ভল্যিউম রকার, পাওয়ার বাটন এবং মাইক্রো এসডি কার্ড স্লট এবং ডান পাশে শুধুমাত্র ডুয়াল মাইক্রো সিম কার্ড স্লট রেখেছে প্রতিষ্ঠানটি।
সবশেষে এর পেছনের দিকের একদম উপরের ভাগে দেখতে পাবেন ডিভাইসটির মূল ক্যামেরা, একটি ডুয়াল টোন এলইডি ফ্ল্যাশ, ফিংগারপ্রিন্ট সেন্সর ও প্রতিষ্ঠানটির লোগো।
ডিসপ্লে:
স্মার্টফোনটিতে রয়েছে ৩৬৭ পিপিয়াই সমৃদ্ধ একটি ৬ ইঞ্চি আকারের ফুল এইচডি ডিসপ্লে প্যানেল। এই ডিসপ্লে প্যানেলটিতে প্রতিষ্ঠানটি আইপিএস ডিসপ্লে প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে। পাশাপাশি ডিসপ্লে সুরক্ষার জন্য এতে ব্যবহার করা হয়েছে ড্রাগন ট্রেইল গ্লাস প্রযুক্তি। এ ছাড়াও সর্বোচ্চ সুরক্ষার জন্য ইনফিনিক্স নোট ৩ এর সঙ্গে একটি গ্লাস প্রটেক্টর বিনামূল্যেই সরবারহ করে থাকে প্রতিষ্ঠানটি। স্মার্টফোনটি কেনার তিনমাসের মধ্যে যদি কোনো কারণে ডিসপ্লেটি ভেঙ্গে যায় তাহলে বিনামূল্যে তা বদলে দেবে ইনফিনিক্স কর্তৃপক্ষ।
ভাইব্রেন্ট ডিসপ্লে যুক্ত স্মার্টফোনটির ভিউয়িং অ্যাংগেল বেশ ভালো। বড় এবং শার্প এই প্যানেলটি মাল্টিমিডিয়া, ব্রাউজিং এবং গেমিং এক্সপেরিয়েন্স বদলে দিতে সক্ষম খুব সহজেই।চমৎকার এই ডিসপ্লে প্যানেলটির কালার রিপ্রোডাকশনও বেশ ভালো এবং এতে ব্যবহার করা হয়েছে মিরা ভিশিন প্রযুক্তির যার মাধ্যমে আপনি সবজেই আপনার চাহিদা মত ডিসপ্লে প্রিফারেন্স, যেমন - ভিভিড, স্যাচুরেশন, কনট্রাস্ট ইত্যাদি পরিবর্তন করে নিতে পারবেন। প্রায় সব দিক থেকে চমৎকার এই ডিসপ্লে প্যানেলটির একমাত্র সীমাবদ্ধতা হিসেবে আমার কাছে যা মনে হয়েছে তা হচ্ছে আউটডোরে সূর্যের আলোর নিচে এই প্যানেলটি যথেষ্ট ব্রাইট নয়।
ক্যামেরা:
স্মার্টফোনটিতে আছে ১৩ মেগাপিক্সেলের রিয়ার ক্যামেরা ইউনিট এবং ৫ মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ফেসিং শুটার। দুটি ক্যামেরাতেই প্রতিষ্ঠানটি ব্যাবহার করেছে ব্লু গ্লাস প্রযুক্তি যা ছবি তোলার সময় যে কোন ধরনের লেন্স ফ্লেয়ার এলিমিনেট করে ঝকঝকে ছবি তুলতে সাহায্য করে। পেছনের ক্যামেরায় ব্যবহার করা হয়েছে পিডিএফ ফোকাস প্রযুক্তি যা ০.২৫ সেকেন্ডের মধ্যেই ফোকাস করতে সক্ষম, ভিডিওতে দেখতেই পাচ্ছেন কতটা দ্রুত এটি ফোকাস নিচ্ছে।স্মার্টফোনটি দিনের বেলায় বেশ ভালো ছবি তুলতে সক্ষম হলেও লো-লাইটে খুব একটা সন্তোষজনক ফলাফল পাওয়া যাবে না ডিভাইসটি থেকে। ডিভাইসটির ফ্রন্ট ক্যামেরা সম্পর্কে এক কথায় বললে অন্য সব ৫ মেগাপিক্সেল ইউনিটের থেকে বেশ ভালোই ছবি তুলতে সক্ষম এই ফ্রন্ট ক্যামেরাটি। এ ছাড়াও ক্যামেরা ফিচার হিসেবে গেসচার শট, স্মাইল শট ও প্যানারমা ছবি নেওয়ার সুবিধা থাকছে। এ ছাড়াও এই ফোনটিতে ছবি তোলার জন্য ডুয়াল ফ্ল্যাশ ব্যবহার করা হয়েছে।
হার্ডওয়্যার, পারফর্মেন্স:
স্মার্টফোনটিতে প্রতিষ্ঠানটি ব্যবহার করেছে মিডিয়াটেক এমটি ৬৭৫৩ চিপসেট, ১.৩ গিগাহার্জ এআরএম কর্টেক্সট এ৫৩ অক্টা-কোর ৬৪ বিট প্রসেসর এবং মালি টি৭২০ জিপিইউ। সঙ্গে ২ গিগাবাইট র্যাম ও চমৎকার এফিসিয়েন্ট এক্সওএস (xos) ক্যামেলিওন অপারেটিং সিস্টেম থাকায় বেশ ভালোই পারফর্মেন্স স্মার্টফোনটির। এ ছাড়াও এতে মিডিটেক এমটি ৬৭৫৩ চিপসেট ব্যবহার করা হয়েছে।
বেঞ্চমার্কিং স্কোর:
একটি স্মার্টফোনের পারফর্মেন্স পরিমাপ করতে বিভিন্ন ধরণের বেঞ্চমার্কিং টুল ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যেহেতু অনেকেই বেঞ্চমার্কের ওপর ভিত্তি করে স্মার্টফোনের ক্ষমতা পরীক্ষা করে থাকে। এখানেও বিভিন্ন প্রকার বেঞ্চমার্ক টুল ব্যবহার করে কিছু ফলাফল জানতে করতে সক্ষম হয়েছি। ডিভাইসটি আনটুটু বেঞ্চমার্কে পেয়েছে ৩৯২৩৭ স্কোর করতে সক্ষম হয়েছে। এ ছাড়া নেনামার্ক ২ এর স্কোর ছিল ৫৯.৬ এফপিএস। গিকবেঞ্চে ডিভাইসটি সিংগেল কোর ও মাল্টি কোরের ক্ষেত্রে স্কোর করেছে যথাক্রমে ৬২৫ এবং ২৭২৬।
করেছে মিডিয়াটেক এমটি ৬৭৫৩ চিপসেট, ১.৩ গিগাহার্জ এআরএম কর্টেক্সট এ৫৩ অক্টা-কোর ৬৪ বিট প্রসেসর এবং মালি টি৭২০ জিপিইউ। সঙ্গে ২ গিগাবাইট র্যাম ও চমৎকার এফিসিয়েন্ট এক্সওএস (xos) ক্যামেলিওন অপারেটিং সিস্টেম থাকায় বেশ ভালোই পারফর্মেন্স স্মার্টফোনটির। এ ছাড়াও এতে মিডিটেক এমটি ৬৭৫৩ চিপসেট ব্যবহার করা হয়েছে।
গেমিং পারফরমেন্স:
স্মার্টফোনটির ডিসপ্লে বড় হওয়ায় চমৎকার কালার রি-প্রোডাকশনের সঙ্গে গেইম খেলে অনেক আরাম পাওয়া যাবে। অ্যাসফল্ট ৮ সহ আরও কয়েকটি গেইম খেলে কোন সমস্যা পাওয়া যায়নি। তবে মর্ডান কমব্যাট ৫ খেলতে গিয়ে সামান্য ল্যাগ পাওয়া গেলেও তবে ছোট ছোট গেমগুলো অনেক মজা করে খেলা যায়।
মাল্টিমিডিয়া এক্সপেরিয়েন্স:
ডিভাইসটির বড় স্ক্রিন এবং মোটামুটি জোড়ালো স্পীকার থাকায় ব্যাবহারকারীরা এই স্মার্টফোনটি ব্যবহার করে চমৎকার সব মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট ব্যবহার করতে পারবেন।
সত্যি কথা বলতে ডিভাইসটি থেকে বের হয়ে আসা সাউন্ডগুলো উৎকট মনে হয় না বা কানে লাগে না। তবে এটা নির্ভর করে ব্যবহারকারী কেমন মিউজিক পছন্দ করেন তার উপরে।
ভিডিও:
ডিভাইসটির স্ক্রিন বড় হওয়ায় আপনি ডিভাইসটিতে যে কোন ধরণের ভিডিও দেখে আনন্দ পাবেন। নোট ৩ ডিভাইসটিতে ১০৮০X১৯২০ পিক্সেল (৪৮০ ডিপিআই) রেজ্যুলেশনের ভিডিও দেখা যাবে।
ব্যাটারি লাইফ:
এই স্মার্টফোনটির বড় চমকগুলোর মধ্যে সম্ভবত অন্যতম হচ্ছে এর শক্তিশালী ব্যাটারি ইউনিটটি। ডিভাইসটিতে রয়েছে একটি নন-রিমুভ্যাল ৪ হাজার ৫০০ মিলি অ্যাম্পিয়ার ক্ষমতার লি-আয়ন ব্যাটারি যা সাধারণ ব্যবহারে খুব সহজেই আপনাকে ২ দিনেরও বেশি ব্যাক-আপ দিতে সক্ষম। একই সাথে এই ফোনটিতে ইন্টালিজেন্ট পাওয়ার সেভিং মোড থাকায় ব্যটারি খরচ অনেক কম হয়।
আরেকটা আকর্ষনীয় ফিচার হচ্ছে আল্ট্রা পাওয়ার ফিচার। এর মাধ্যমে ডিভাইসটি মাত্র পাঁচ মিনিট চার্জ দিয়ে ২০০ মিনিট কথা বলা যায়। যদিও ২০০মিনিট কথা বলা হয়নি, তবে ব্যাটারি পারফর্মেন্স দেখে মনে হয়েছে সম্ভব।
ভালো ও মন্দ দিক:
মন্দ দিক:
* বড় আকারের স্ক্রিন হওয়ায় স্মার্টফোনটিও আকারে কিছুটা বড়ই ফলে ছোট হাতের ব্যবহারকারীদের খাপ খাইয়ে নিতে বেশ খানিকটা সময়ের প্রয়োজন হতে পারে।
* অ্যালুমিনিয়াম অ্যালয় দিয়ে তৈরি করায় এবং পেছনে কোন প্রকার কার্ভ না থাকায় অন্তত আমার কাছে স্মার্টফোনটির গ্রিপ বেশ কম মনে হয়েছে, যদিও এই সমস্যাটি থেকে মুক্তি পাবার জন্য একটি ব্যাক কভারই যথেষ্ট! তবে সেক্ষেত্রে আবার স্মার্টফোনটির আকার আরও কিছুটা বৃদ্ধি পাবে।
* স্মার্টফোনটি নেভিগেট করার জন্য কোন ক্যাপাসিটিভ নেভিগেশন কী দেয়া হয়নি; এতে ব্যবহার করা হয়েছে অন-স্ক্রিন নেভিগেশন কী। অনেক ব্যবহারকারীরাই আলাদা নেভিগেট বাটন পছন্দ করে থাকেন।
* নোটিফিকেশন লাইট থাকলেও ডিভাইসটিতে তা শুধুমাত্র স্ক্রিন অফ থাকা অবস্থাতেই কাজ করে।
* ক্যামেরা আরও ভালো হতে পারত।
ভালো দিক:
* চমৎকার এবং বড় রেজ্যুলেশনের ডিসপ্লে নি:সন্দেহে মাল্টিমিডিয়া, ব্রাউজিং এবং গেমিং এক্সপেরিয়েন্স বৃদ্ধি করবে।
* ফিংগারপ্রিন্ট সাপোর্ট যা শুধু নিরাপত্তাই নয় বরং ছবি তোলার ক্ষেত্রেও সহায়তা করবে।
* অফ-স্ক্রিন গেসচার সুবিধা, সঙ্গে ডাবল ট্যাপ ফিচারগুলোতো আছেই।
* ডিসপ্লে নিরাপত্তার জন্য স্মার্টফোনটি কেনার তিনমাসের মধ্যে যদি কোনো কারণে ডিসপ্লেটি ভেঙ্গে যায় তাহলে বিনামূল্যে তা বদলে দেবে ইনফিনিক্স কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়াও প্রতিটি স্মার্টফোন কেনার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি একটি বাড়তি টেম্পার্ড গ্লাস প্রদান করে।
* ৪ হাজার ৫০০ এমএইচ শক্তিশালী ব্যাটারি লাইফ। আরও থাকছে আলট্রা পাওয়ার ফিচার। যার মাধ্যমে মাত্র পাঁচ মিনিট চার্জ দিলে ২০০ মিনিট পর্যন্ত কথা বলার সুবিধা।
অ্যাভাইলেবিলিটি এবং মূল্য:
এই ডিভাইসটি এখন পর্যন্ত সাধারণ বাজারে উন্মুক্ত করা হয়নি। ইনফিনিক্স প্রাথমিকভাবে অনলাইন শপ দারাজ.কম.বিডি এর মাধ্যমে এই ডিভাইসটি বাজারে এনেছে। দারাজ থেকে কিনতে গেলে ফোনটির দাম পড়বে ১৬ হাজার ৯৯০।












No comments:
Post a Comment